অসমাপ্ত আত্মজীবনী
- 18%

অসমাপ্ত আত্মজীবনী

৳ 180.00 ৳ 220.00

By বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান

Out of stock

অসমাপ্ত আত্মজীবনী বইটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মজীবনী। শেখ মুজিব ১৯৬৭ সালের মাঝামাঝি সময়ে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে অন্তরীণ অবস্থায় লেখা শুরু করেছিলেন এটি। ২০১২ সালের জুনে বইটি প্রকাশিত হয়। ৩৩০ পৃষ্ঠার বইটির প্রকাশক ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড। প্রচ্ছদশিল্পী সমর মজুমদার। আত্মজীবনীটি ইংরেজি, উর্দু, জাপানি, চীনা, আরবি, ফরাসি, হিন্দি, তুর্কি, স্প্যানিশ ও অসমিয়া ভাষায় অনূদিত হয়েছে।

২০০৪ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের এক ভাগ্নে অতি পুরানো-জীর্ণপ্রায় এবং প্রায়ই অস্পষ্ট লেখার চারটি খাতা শেখ হাসিনাকে এনে দেন। তিনি এই খাতা চারটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবরের আরেক ভাগ্নে শেখ ফজলুল হক মণির অফিসের টেবিলের ড্রয়ার থেকে সংগ্রহ করেন। এই লেখাগুলোকে বঙ্গবন্ধু হারিয়ে যাওয়া পূর্বোক্ত আত্মজীবনী হিসেবে সুনিশ্চিত করা হয়। ধারণা করা হচ্ছে শেখ মণিকে টাইপ করার জন্য এগুলো দেওয়া হয়েছিল। পরে এগুলো বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খানের সম্পাদনায় গ্রন্থাকারে অসমাপ্ত আত্মজীবনী নামে ২০১২ সালের জুনে প্রকাশ করা হয়। একই সঙ্গে এটি The Unfinished Memoirs নামে ইংরেজিতেও প্রকাশ করা হয় যার ভাষান্তর করেন ড. ফকরুল আলম।

অসমাপ্ত আত্মজীবনী বইটা বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবনচরিত, যাতে তিনি তুলে ধরেছেন তাঁর ব্যক্তিগত নীতি, আদর্শ ও রাজনৈতিক কার্যক্রমকে যা দিনশেষে হয়ে দাড়িয়েছে বাংলাদেশের ঐসময়ের (১৯৫৫ পর্যন্ত) রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহের এক অকাট্য দলিল, রাজনৈতিক গবেষণার আকর গ্রন্থ।

বইটাতে উঠে এসেছে লেখকের ব্যক্তিগত জীবনের পাশাপাশি তাঁর শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পাকিস্তান আন্দোলন, ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠার ইতিহাস, তাঁর জেলজীবন, ভাষা আন্দোলন, পাকিস্তানের দমন-নিপীড়ন, তৎকালীন অন্যান্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিক নেতার সাথে তাঁর সম্পর্ক ও তাদের অবদান ইত্যাদি।

রাজনীতিবীদগণ যে অসাধারণ বক্তার পাশাপাশি অসাধারণ লেখকও হতে পারেন তার প্রমাণ এই বইটি। ১৯৬৭ সালে লিখতে বসে অসাধারণ স্মৃতিশক্তির পরিচয় তো দিয়েছেনই এছাড়া দিল্লি ও চীনভ্রমণের যে বর্ণনা দিয়েছেন তা নিঃসন্দেহে চমৎকার ভ্রমণকাহিনী বা গোয়েন্দা পুলিশের হাত থেকে পালানোর যে বর্ণনা দিয়েছেন তা নিঃসন্দেহে কোনো থ্রিলারের রূপ পেয়েছে।

বইটা আমরা কেন পড়ব? শুধু একজন বঙ্গবন্ধুর জীবনের ইতিহাস জানা শুধু নয়, সেই সময়কে জানা,  মানুষগুলোকে জানা, তাঁর জীবন,আদর্শ, নীতি ও চিন্তাগুলোকে জানা, সেগুলোকে উপলব্ধি করা।

আপনাকে স্বাগতম জেলে বসে লেখা এক বাবার জীবনী পড়তে যার ভূমিকা লিখেছেন তাঁরই কন্যা ৪০ বছর পর আরেক জেলে বসে।