নারীর ক্যারিয়ার ও লাইফ
মিরর থেরাপি
Share with your friends
  •  
  •  
  •   
  •  

ক্যারিয়ার লাইফ – ক্যারিয়ার ও লাইফ

নারীর জীবন বড় বৈচিত্র্যময়। আসলেই!

২৫বা তার আশেপাশে এক অদ্ভুত প্রেশার। যে সময় টা লেখাপড়া শেষ হয়- ক্যারিয়ার না বিয়ে!
আবার বিয়ের পর বাচ্চা র আগমন।
বাচ্চা কে দেখভাল করতে গিয়ে বিশাল গ্যাপ!
ফ্রাস্ট্রেশন! তারপর হয় সেভাবে থেকে যাওয়া আর নাহলে ক্যারিয়ার করতে গেলে সব দিকের ডাবল প্রেশার।
হিমশিম খেতে হয়!
কি ভাবে কি করব?
কখনো ন্যানি র উপর ভরসা করতে হয় না হলে পরিবারের অন্য সদস্য।
এ ক্ষেত্রে সাপোর্ট দেন নিজের মা সব চেয়ে বেশি!

কি করা যায়- কিভাবে সামলানো যায়?
জানি এ বিষয়ে লিখতে গেলে পাতার পর পাতা শেষ হয়ে যাবে!
তাও অল্প সহজ কিছু কথা!

১. প্রেশার বা চাপ কে ডিল করা!
ডিলের সুন্দর বাংলা আছে- সামলানো।
কিভাবে সামাল দিতে হয় আসলে?
মনে রাখবেন সকাল গড়িয়ে রাত হবেই- আপনি সামাল দেন আর না ই বা দেন।
তবে আপনি আগে নিজেকে সামাল দিন।
চাপ নেবার সামাল।
কোন ভাবেই একে স্ট্রেস ভাববেন না। প্লিজ কখনও ই না।
তাহলে আপনি ক্যারিয়ার এর দিকে মন বসাতেই পারবেন না। বসালেও থাকবেন ইরিটেট বা বিরক্ত!
আমরা মানুষ – সব সময় হাসি মুখে থাকা সম্ভব হয়না কিন্তু মনে রাখবেন কোন সমস্যা সমস্যাই না- সব কিছুর সমাধান আছে।

২. যদি ন্যানীর কাছে বাচ্চাকে রাখতে হয়- অতি অবশ্যই সিসিটিভি ক্যামেরা মোবাইল ক্যামেরা সংযুক্ত রাখবেন।
ন্যানির কোন সমস্যা থাকলে সেটিকে সমাধান করবার চেস্টা করুন( আপনার সব চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশের খেয়াল রাখে- তার খেয়াল রাখাও আপনার জন্য ই সুবিধা)
৩. যদি দাদি বা নানি আপনার বাচ্চা কে দেখভাল করে, আপন তাহলে খুব ভাগ্যবান দের একজন। কারণ এর চেয়ে সিকিওরড, আর কোথাও নয় আপনার বাচ্চা।
তবে মাঝে মাঝে উনারাও ক্লান্ত বা বিরক্ত থাকতে পারেন।
সপ্তাহেএক দিন তাদের জন্য আপনার সময় বরাদ্দ রাখুন।
সেটা তাদেরকে রান্না বান্না করে হোক আর সময় কাটানো হোক। প্যম্পার করুন।
প্রতি টা মানুষ ই আদর চায়- এটা মাথায় রাখবেন।

৪.বাচ্চা র সাথে কথা বলুন।

আমরা অনেক বিজি লাইফ কাটাই।
কথা বলার সময় নাই কারো।
আপনি রান্না করছেন বা খাচ্ছেন – বাচ্চার সাথে কথা বলুন, যখন পারেন।
তার সাথে সিলি বা ফানি কার্টুন্ হলেও দেখুন। পনের মিনিট হলেও।
জড়িয়ে ধরুন। বার বার। আপনার সন্তান আপনার কাছে অমুল্য রত্ন।
তাকে সেটা বুঝান।

৫.লাগামহীন নয়
অপরাধবোধ কাজ করে আমাদের মায়েদের।
অপরাধবোধ থেকে ট্যাব বা স্মার্টফোন অথবা লাগামহীন জিনিসে আসক্ত করবেন না।
এতে এক সময় হিতে বিপরীত হবে।

পরিশেষে আমরা মায়েরা অনেক ভাবেই সব সামলাতে পারিনা। যখন পারিনা তখনি স্ট্রেস ফিল করি,বিরক্ত হই,রেগে যাই।
দেখুন আপনিও মানুষ। এসব জিনিস আপনার মধ্যে আসতেই পারে। এতে বিচলিত হবেন না। তবে মনে রাখবেন,একটু ধৈর্য্য ধারণ পুরো সিচুয়েশন কেই বদলে দিতে পারে।

Leave a Comment

Your email address will not be published.

X
%d bloggers like this: