কলঙ্কিনী রাধা মা-য় তয় জলে না যাইও কদম গাছে উঠিয়া আছে কানু হারামজাদা ,
Share with your friends
  •  
  •  
  •   
  •  

কলঙ্কিনী রাধা 

গীতিকার রাধারমণ দত্ত

শিল্পীঃ অভিজিৎ বর্মন পটা

মা-ই হে… কলঙ্কিনী রাধা
কদম গাছে উঠিয়া আছে কানু হারামজাদা
মা-য় তয় জলে না যাইও। (২)
মা-য় তয় জলে না যাইওওও……(২)
ও কি ও… !
হাটে না যাইও, বাঁটে না যাইও, ঘাঁটে না যাইও লাজে। (২)
মা-য় তয় আরো না যাইও লাজে।
মা-ই বো পায়ে নাম রাখিয়াছে কলঙ্কিনী রাঁধে
মা-য় তয় জলে না যাইও। (২)
জলে না যাইও
মা-য় তয় জলে না যাইও।
মা-ই হে… কলঙ্কিনী রাধা
কদম গাছে উঠিয়া আছে কানু হারামজাদা
মা-য় তয় জলে না যাইও।
ও কি ও…
যাইও নারে, যাইও নারে কদমতলা দিয়া। (২)
মা-য় তয় কদমতলা দিয়া।
কানা আবার দিছে ফান্দো রাধিকার লাগিয়া
ও কি ও…
কলসিতে পানি যমুনা বহু দূর। (২)
হাঁটিতে না পারে রাঁধে, পরিতে নূপুর
মা-য় তয় জলে না যাইও! (২)

রাধারমণ দত্ত  (১৮৩৩ – ১৯১৫) হলেন একজন বাংলা সাহিত্যিক, সাধক কবি, বৈঞ্চব বাউল, ধামালি নৃত্য-এর প্রবর্তক।  সংগীতানুরাগীদের কাছে তিনি রাধারমণ বলেই সমাধিক পরিচিত। বাংলা লোকসংগীতের পুরোধা লোককবি রাধারমণ দত্ত। তার রচিত ধামাইল গান সিলেট ও ভারতের বাঙ্গালীদের কাছে পরম আদরের ধন। রাধা রমন নিজের মেধা ও দর্শনকে কাজে লাগিয়ে মানুষের মনে চিরস্থায়ী আসন করে নিয়েছেন। কৃষ্ণ বিরহের আকূতি আর না-পাওয়ার ব্যথা কিংবা সব পেয়েও না-পাওয়ার কষ্ট তাকে সাধকে পরিণত করেছে। তিনি দেহতত্ত্ব, ভক্তিমূলক, অনুরাগ, প্রেম, ভজন, ধামাইলসহ নানা ধরণের কয়েক হাজার গান রচনা করেছেন