“চাকা -জীবন না সাইকেলের?”
ডিপ্রেশন বা মানসিক চাপ কে কিভাবে জয় করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসবেন
Share with your friends
  •  
  •  
  •   
  •  

আমরা শুধু মাত্র সম্পর্কে ব্যর্থ হলেই ডিপ্রেসড হইনা, যখন মন থেকে কিছু চাই সেই চাওয়া পাওয়া য় ফারাক হলেই আমাদের মন খারাপ হয়,
হতাশা ধরে বসে।
কারু কম, কারু বা বেশি।

মাঝে মাঝে এমন হয়, খুব মন থেকে চাইবার পরও আমরা সেটা পাইনা সেটা কোন জব হতে পারে, বা যে কোন সাব্জেক্ট এ পড়ার চয়েস ও হতে পারে।

তখন মানসিক টানা পোড়েন চলে। লাইফ কে ব্যর্থ মনে হয় ।
কিছুই ভাল লাগেনা।
তখন দেখা যায় সাথে সাথে আরো কিছু জিনিশ ও ঘটে যাচ্ছে যা কিনা কখনওই কাম্য না।

এখন মানসিক ভাবে কি করে মোকাবেলা করা যায়, মন কে কি করে মানানো যায়?

প্রথম যেটা করতে হবে, যখন ই আমরা কোন কিছু থেকে রিজেক্টেড হই তখন মাথায় রাখতে হবে যে দুই টা জিনিশ, আমি এটার জন্য এনাফ প্রিপারেশন নেই নি।
দুই হয়ত এটার চেয়ে ভাল কিছু আমার জন্য আছে -সেটা সময়ের ব্যাপার মাত্র।

মন খারাপ হলে প্রতিদিনের যে কাজ কর্ম সেটা তেও মন বসেনা। বিরক্ত লাগে, তখন কাজ কর্ম বিগরাতে থাকে।
এর জন্য সব কিছু থেকে পাচ মিনিট ব্রেক নিন। অই পাচ মিনিট একটু ফ্রেশ এয়ারে ঘুরেন।
মাত্র পাচ মিনিট।
নিজের সাথে দুই তিন টা কথা বলেন।
কথা গুলি হল, খারাপ ভাল দুই সময় আসে। আবার চলে যায়।
সাইকেলের চাকার মত। চাকা কিন্তু ঘুরতেই থাকে, উপরের অংশ ঘুরে নিচে যায় আবার উপরে আসে
। জীবন ঠিক তাই।
ভাল সময় আসে, আবার খারাপ সময় আসে।
ঘুরে ঘুরে।
জীবনের এক মিনিট হতাশ থাকা মানে সেই এক মিনিট ই নষ্ট।
কি দরকার সেই এক মিনিট ই নষ্ট করার!

বিন্দাস থাকার একটা ফর্মুলা আছে!

সেটা হল, সব কিছু তেই এক্সাইটমেন্ট,

খারাপ সময় আপনাকে দূর্বল করতে চায়, নিজেকে নিজেই চ্যালেঞ্জ করুন।
যখন দেখবেন, তাতেও কাজ হচ্ছেনা। নিজের সাধ্যের মধ্যে এক্সাইটেড কিছু করুন।
ফান হয় এমন কিছু – আপনার ডিপ্রেশন কে পাত্তা দেবার দরকার নাই, সে থাকুক তার মত।

পাত্তা না পেলে দুই দিন পর ই ভাগবে—

সো এঞ্জয় এভ্রি মোমেন্ট অফ ইয়োর প্রেশিয়াস লাইফ 

%d bloggers like this: