রমণীর আচলে রচিত বিপ্লবের গল্প
Share with your friends
  •  
  •  
  •   
  •  

প্রভাবশালী জার্মান সমাজ বিজ্ঞানী ও মার্ক্সবাদের প্রবক্তা কার্ল মার্ক্স তখনও জীবিত!!!

কেউ একজন তাহাকে জিজ্ঞাসা করিয়াছিলেন ভারত বর্ষের মহিলারা কিরুপে বিল্পব এ অংশ
লইবেন ? উত্তরে তিনি বলেছিলেন ঃ যতদিন উপমহাদেশীয় রমণীরা পোশাক, গয়নার উপর থেকে মনোযোগ না হটাইবেন তত দিন ভারতে কোন বিল্পব হবার সম্ভাবনা নেই । কারন বিল্পব করিতে টাকা লাগে, আর পুরুষদের ঘরের বাহিরে থাকা অবস্থায় বিশ্বাস করিতে হয় ।

ইহার ভাবনা বেশ গভীরে নিহিত ছিল বলিয়া দেখা যায়
কারন রমণী কুলের অপ্রয়োজনীয় আবদার রক্ষা করিতে গিয়া এমন ই ব্যাতিব্যাস্ত ছিলেন এই উপমহাদেশীয় পুরষকুল যে দেশ উদ্ধার করিবার জন্য অপ্রয়োজনীয় অর্থ তাহারা ব্রিটিশ বিরুদ্ধে খরচ করিতে কার্পণ্য করিয়াছেন ২০০ বছর ধরে । ১৮৮৩ চুপচাপ মরিয়া গিয়াছেন মার্ক্স সাহেব তাহার কিছু যুগ পরে ইউরোপীয়দের কিছুটা চোখ খুলিলেও ভারতীয়দের চোখ আর খোলে নাই । ২০০ শতবছর ধরেই বন্ধ ছিল, নইলে গান্ধীজির ছাগলটা দিল্লী থেকে বাংলার বুকে পর্যন্ত এসে চুরি হইয়া গেল , বাবুজির হাড় জিরজিরে অবস্থার জন্য আমরা কি কমদায়ী। রবীন্দ্রনাথ বলেছিলেন যেঁ স্বাধীনতার জন্য দেশের নিত্যপণ্যর দাম বাড়িয়া যাইবে অমন স্বাধীনতা দরকার নেই, গরিব রমনিরা ছিন্ন বস্ত্রে চুলায় পাথর চাপা দেবে আমি তাহা চাই না সুভাষ বোস আর কবিগুরুর মুখো কেন হন নি তাহা আন্দাজ করিয়া নিয়াছি।

আমার কিছু কথা হয়ত রম্য মাগার কিছু কাকতালীয় সত্য কথা এখন কহিতে দেন নিজের ভাষায়।

বাঙালী পুরুষদের রক্তে আজীবন বিদ্রোহ আগুন বইয়া গেছে, যুগ যুগ ধরে , জানা যায় বাস্তিল দুর্গের পতনের পিছে একজন বাঙ্গালীর বেশ ভাল রকমের হাত ছিল , বেচারা বিবাহ করেন নাই, ৭১ এ আমাদের সেনাপতি সাহেব কে যদি কেউ রনপরিকল্পনারত অবস্থায় কহিত এই রাইতে কি কর বাসায় আইস জলদি, তাহা হইলে দেশ স্বাধীন হইতে বহুত সময় লইত এটা নিশ্চিত ভাবেই বলা যায় ।

যাক গা কিসসা বহুত হইয়াছে
ছফা সাহেব ৭১ এ কলকাতায় গিয়া পুরান পত্রিকা পড়িয়া দেখিতে পাইলেন ১৯৩৫-৪৫ সালের সেই সময়টাতে নেতাজির সুভাষ চন্দ্র বোস এর আন্দোলনে , বাঙ্গালিরা টাকা দেয় নাই, কারন তাহাদের নিকট থাকিত কিছু পয়সা মাত্র , আর মাড়োয়ারী স্বাধীন হবার চেয়ে বেনিয়ারা থাকলে ইঙ্কাম হইবে বেশী বলিয়া জানিত

শুধু আন্দোলন দিয়া দেশ স্বাধীন হয় না, টাকা লাগে ।

বাংলাদেশ নিয়া কিছু লিখিলে মনে হয় পারিতাম কিন্তু ত র্ক শুরু হইবার ভয়ে এইখানেই শেষ করিয়া লই । তবুও বুকের ব্যপক সাহস সঞ্চার করিয়া বলি বাংলাদেশ তো আমরা বাকিতে স্বাধীন করি নাই, আমাদের সেই সময়ের মায়েরা শাড়ি গয়নার মায়া ত্যাগ করিয়া বুকের ধনকে কোরবানি দিয়েছেন অকাতরে , তবূও কেন এখনও আমাদের কর্জ শোধ হয় না , মহাজনেররা আর কতকাল দাদনের টাকা তুলিবে নানা মেগা প্রজেক্ট এর উছিলায় ?
……………………।
কাহারও মনে দুঃখ দিতে চাহি নাই, আর কাপড়, গয়নার যোগান দিতে আমাদের পূর্বপুরুষরা যদি সামান্য কার্পণ্য করিতেন তাহা হইলে আমরা আজকের এই লেখা পড়িবার জন্য ধরাধামে উপস্থিত থাকিতাম না ।

%d bloggers like this: